UK-তে রেস্টুরেন্টের ওয়েবসাইট: বুকিং আর টেকঅ্যাওয়ে অর্ডার

UK-তে রেস্টুরেন্টের ওয়েবসাইট (restaurant website UK) থেকে টেবিল বুকিং আর টেকঅ্যাওয়ে অর্ডার বাড়াতে লাগে চারটে জিনিস: মোবাইলে তাড়াতাড়ি খোলা মেনু, এক ট্যাপে বুকিং, নিজের অর্ডারের রাস্তা, আর অ্যালার্জেন ও হাইজিন রেটিংয়ের পরিষ্কার ইনফো। Indian restaurant website হোক বা শুধু takeaway website, কাস্টমার মোটামুটি এগুলোই খোঁজেন। বাকিটা সাজানোর ব্যাপার।
UK-তে অনেক বাঙালি পরিবার রেস্টুরেন্ট আর টেকঅ্যাওয়ে চালান। রান্না ভালো, পুরনো কাস্টমারও আছেন। কিন্তু অনলাইনের দিকটা অনেক সময় একটা Facebook পেজ আর ডেলিভারি অ্যাপেই আটকে থাকে। এই লেখায় দেখব, নিজের সাইটটা কেমন হলে সত্যিই কাজে লাগে।
একটা কথা আগেই বলে রাখি। এখানে খাবারের নিয়মের যা কথা আছে, সেগুলো GOV.UK-র অফিশিয়াল গাইডলাইন দেখে লেখা, কিন্তু এটা আইনি পরামর্শ নয়। আপনার কেসে ঠিক কী লাগবে, সেটা নিজের council-এর ফুড সেফটি টিম বলতে পারবে।
UK-তে রেস্টুরেন্টের ওয়েবসাইট কেন আলাদা করে ভাবতে হয়
রেস্টুরেন্টের সাইটের মূল কথা সব দেশে এক। মেনু, ছবি, সময়, ঠিকানা আর অর্ডারের রাস্তা। সেটা নিয়ে আলাদা করে লিখেছি রেস্টুরেন্টের ওয়েবসাইটে কী কী থাকতে হবে লেখায়।
UK-তে এর উপরে তিনটে জিনিস বাড়তি ভাবতে হয়:
- অ্যালার্জেন — অনলাইনে অর্ডার নিলে কাস্টমারকে অ্যালার্জেনের ইনফো দেওয়া নিয়ম।
- হাইজিন রেটিং — রেটিং অনলাইনে সবার জন্য খোলা, কাস্টমার চাইলেই দেখে নিতে পারেন।
- ডেলিভারি অ্যাপের সঙ্গে পাল্লা — কাস্টমারের হাতে Just Eat, Deliveroo, Uber Eats আগে থেকেই আছে। আপনার সাইটকে তাই সোজা আর ঝরঝরে হতে হবে।
দেশ-বিদেশের ব্যবসার বড় ছবিটা দেখতে চাইলে পড়ুন বিদেশে বাঙালির ব্যবসার পুরো গাইড।
ডেলিভারি অ্যাপ থাকলে নিজের সাইট কেন লাগবে
অনেকেই বলেন, "অ্যাপে তো অর্ডার আসছেই, সাইট দিয়ে কী হবে?" কথাটা অর্ধেক ঠিক। অ্যাপ ছাড়ার দরকার নেই। কিন্তু দুটোর কাজ আলাদা।
| বিষয় | ডেলিভারি অ্যাপ | নিজের সাইট |
|---|---|---|
| নতুন কাস্টমার | অ্যাপের ভেতরে যাঁরা খোঁজেন, তাঁরা দেখেন | Google সার্চ আর Maps থেকে আসেন |
| প্রতি অর্ডারে | কমিশন যায় | কার্ড পেমেন্টের ফি আর অর্ডারিং টুলের খরচ লাগে |
| কাস্টমারের সঙ্গে সম্পর্ক | মূলত অ্যাপের হাতে | আপনার হাতে, অফার জানাতে পারেন |
| পাশেই কম্পিটিটর | একই স্ক্রিনে অনেক দোকান | শুধু আপনার মেনু |
| টেবিল বুকিং | সাধারণত নেই | আপনার ইচ্ছেমতো সেটআপ |
সোজা হিসেব হল এইরকম। নতুন লোকের জন্য অ্যাপ থাকুক। যিনি একবার খেয়ে ভালো লেগেছে বলে আবার খুঁজছেন, তাঁকে নিজের সাইটে নিয়ে আসুন। প্যাকেটের ভেতরে একটা কার্ড বা রসিদে QR কোড দিয়েও সেটা বলা যায়, তবে অ্যাপের শর্তে এ নিয়ে কিছু বলা আছে কিনা দেখে নেবেন।
UK-র কাস্টমার সাইটে কী খোঁজেন
শুক্রবার সন্ধ্যা। ধরুন, কেউ বার্মিংহামে ফোনে সার্চ করলেন "Indian takeaway near me"। আপনার সাইট খুললেন। খুলেই তিনি এগুলো দেখতে চান:
- এখন খোলা কিনা — আজকের সময় আর শেষ অর্ডারের টাইম।
- ডেলিভারি আমার এলাকায় আসে কিনা — কোন কোন পোস্টকোড, আর মিনিমাম অর্ডার থাকলে সেটাও লিখুন।
- মেনু — PDF নয়, পেজে লেখা মেনু। PDF মোবাইলে জুম করে পড়া ঝামেলা, আর Google-ও লেখা মেনু সহজে পড়তে পারে।
- অর্ডার বা বুকিংয়ের বাটন — স্ক্রল করার সময়ও যেন সব সময় দেখা যায়।
- ফোন নম্বর — +44 কোড সহ, এক ট্যাপে কল। অনেকে এখনও ফোনেই অর্ডার দিতে পছন্দ করেন।
মেনুতে ডিশের নামের সঙ্গে এক লাইনে ইংলিশে বুঝিয়ে দিন। "Kosha Mangsho" পড়ে লোকাল কাস্টমার কিছু বুঝবেন না। পাশে লিখুন "slow-cooked Bengali mutton curry", তাহলে অর্ডার করার ভরসা পাবেন। হালাল হলে সেটা স্পষ্ট লিখুন। ভেজ, ভিগান আর ঝালের মাত্রাও মেনুতে দেখান।
আসল ছবি দিন। নিজের ডিশ, নিজের রেস্টুরেন্ট। ইন্টারনেট থেকে নেওয়া সুন্দর কারির ছবি দেখলে অনেকে ধরে ফেলেন, আর পাতে অন্য কিছু এলে রিভিউতে সেটাই লিখে দেন।
অ্যালার্জেন আর হাইজিন রেটিং: সাইটে যেভাবে রাখবেন
অ্যালার্জেন। Food Standards Agency-র অ্যালার্জেন গাইডলাইন বলছে, 14টা অ্যালার্জেন কোনো খাবারে থাকলে কাস্টমারকে জানাতে হবে। অনলাইনে বা ফোনে খাবার বিক্রি করলে এই ইনফো দুবার দিতে হয়:
- অর্ডার পাকা হওয়ার আগে — সাইটে, মেনুতে লিখে, বা ফোনে বলে।
- খাবার পৌঁছনোর সময় — প্যাকেটে স্টিকার, সঙ্গে মেনুর কপি, বা ফোনে।
FSA-র পরামর্শ হল, দুবারই লিখে দেওয়া। আর একটা কথা। স্যান্ডউইচ বা স্যালাডের মতো যা আপনি নিজের দোকানেই আগে থেকে প্যাক করে বিক্রি করেন, তার লেবেলে পুরো ইনগ্রিডিয়েন্ট লিস্ট লাগে। এই গাইডলাইন England, Wales আর Northern Ireland-এর জন্য। Scotland-এ Food Standards Scotland-এর গাইডলাইন দেখুন।
সাইটে এটা করার সোজা উপায় হল প্রতিটা ডিশের নিচে অ্যালার্জেন লিখে দেওয়া। ডিশ অনেক হলে একটা আলাদা "Allergen information" পেজ করুন, আর অর্ডারের ধাপের আগে তার লিংক দিন। রেসিপি বদলালে এই লিস্টও বদলাতে হবে, এটা কারও একজনের কাজ করে দিন।
হাইজিন রেটিং। FSA-র Food Hygiene Rating Scheme-এর গাইডলাইন অনুযায়ী দোকানে স্টিকার লাগানো Wales আর Northern Ireland-এ আইনে লাগবেই, England-এ নিজের ইচ্ছায়। ওয়েবসাইটে দেখানোর কথা FSA নিজেই বলে, আর ডাউনলোড করার মতো রেটিংয়ের ছবিও রেখেছে। Wales-এ টেকঅ্যাওয়ে মেনু বা লিফলেট থাকলে রেটিংয়ের ওয়েবসাইট নিয়ে দুই ভাষায় একটা লাইন রাখার নিয়মও আছে। Scotland-এ স্কিমটাই আলাদা, নাম Food Hygiene Information Scheme।
রেটিং ভালো হলে হোমপেজে আর ফুটারে দেখান। অর্ডার দেওয়ার মুহূর্তে এই ছোট্ট ছবিটা ভরসা দেয়।
টেবিল বুকিং: ফোন ধরার ঝামেলা কমান
ব্যস্ত সন্ধ্যায় রান্নাঘর সামলাতে সামলাতে ফোন ধরা কঠিন। ফোন না ধরলে কাস্টমার পাশের রেস্টুরেন্টে ফোন করেন। সাইটে বুকিং থাকলে এই প্রবলেম অনেকটা কমে।
তিনটে অপশন আছে:
- বুকিং টুল — OpenTable বা ResDiary-র মতো টুল সাইটে জুড়ে দেওয়া যায়। টেবিল ম্যানেজ করা সহজ হয়। ফি কেমন, সেটা ওদের সাইটে দেখে নেবেন।
- সাইটের নিজের বুকিং ফর্ম — তারিখ, সময়, কতজন, ফোন। ইমেইলে আর ফোনে নোটিফিকেশন আসে। কনফার্ম করতে হবে নিজেকে।
- WhatsApp-এ বুকিং — বাটনে ট্যাপ করলে আগে থেকে লেখা মেসেজ খুলবে। চেনা কাস্টমার আর বাঙালি কমিউনিটির জন্য ভালো চলে।
বড় টেবিল বা পার্টির জন্য আলাদা একটা পেজ রাখুন। বিয়ে, জন্মদিন, অফিসের পার্টি, Christmas মেনু — এগুলোই অনেক সময় ভালো ব্যবসা দেয়।
No-show নিয়ে চিন্তা থাকলে বড় গ্রুপের জন্য ডিপোজিট বা কার্ড ডিটেলস নেওয়ার নিয়ম করতে পারেন। সেটা বুকিং টুল বা পেমেন্ট কোম্পানির সিকিওর পেজ দিয়েই করবেন। কার্ডের নম্বর নিজের ফর্মে বা WhatsApp-এ কখনও নেবেন না।
টেকঅ্যাওয়ে অর্ডার: রাস্তাটা যত ছোট, তত ভালো
নিজের অর্ডারিং সেট করার সময় এই কথাগুলো মাথায় রাখুন:
- পেমেন্ট — কার্ড, Apple Pay আর Google Pay রাখুন। Stripe বা Square-এর মতো পেমেন্ট সার্ভিস দিয়ে এগুলো জোড়া যায়। Collection-এ ক্যাশের অপশনও রাখতে পারেন।
- অ্যাকাউন্ট খুলতে বাধ্য করবেন না — গেস্ট হিসেবে অর্ডার দিতে দিন। খিদের মুখে পাসওয়ার্ড বানাতে কেউ চান না।
- Collection আর Delivery আলাদা — কতক্ষণে রেডি হবে, সেটা আগেই দেখান।
- ব্যস্ত সময় সামলানো — অর্ডার সাময়িক বন্ধ করার বা টাইম বাড়ানোর উপায় যেন থাকে।
- কনফার্মেশন — অর্ডারের পরে ইমেইল বা মেসেজ, সঙ্গে ফোন নম্বর।
অ্যালকোহল বিক্রি করলে আলাদা করে ভাবুন। GOV.UK-র alcohol licensing গাইডলাইন বলছে অ্যালকোহল বিক্রির জন্য লাইসেন্স লাগে, যেটা হয় local council-এর মাধ্যমে। অনলাইন অর্ডার আর ডেলিভারি আপনার লাইসেন্সে কভার হচ্ছে কিনা, council-এর licensing team-এর কাছে জেনে নিন।
Google আর Maps-এ রেস্টুরেন্ট কিভাবে আসবে
রেস্টুরেন্টের ক্ষেত্রে Google Business Profile অনেক সময় সাইটের চেয়েও আগে কাস্টমারের চোখে পড়ে। UK-তে প্রোফাইল খোলা, ঠিকানা আর ভেরিফিকেশনের ডিটেলস পাবেন বিদেশে Google Business Profile লেখায়। প্রোফাইলে সাইটের মেনু, বুকিং আর অর্ডারের লিংক দিন, যাতে কাস্টমার সোজা আপনার পেজে আসেন।
সাইটের লেখায় সেই কথাগুলোই রাখুন, যা লোকে টাইপ করেন:
- কী খাবার আর কোন শহর — "Bangladeshi and Indian restaurant in Leicester"।
- এলাকা বা পাড়ার নাম, পোস্টকোডের শুরুর অংশ।
- "Halal", "vegan options", "takeaway", "delivery", "private dining" — যেটা সত্যিই আছে।
খুশি কাস্টমারকে রিভিউ চাইতে লজ্জা পাবেন না, আর প্রতিটা রিভিউর ভদ্র উত্তর দিন। খারাপ রিভিউরও। Christmas, Eid আর bank holiday-তে সময় বদলালে সাইট আর প্রোফাইল দুটোতেই আপডেট করুন। বন্ধ দোকানে কাস্টমার গিয়ে ফিরে এলে ক্ষতিটা রিভিউতেও আসে।
ডেভেলপার হিসেবে আমার কথা: ২০১৭ থেকে সারা পৃথিবীর ক্লায়েন্টের সঙ্গে রিমোটে কাজ করছি। রেস্টুরেন্টের সাইট লঞ্চের আগে আমার সাজেশন একটাই — ফোন হাতে নিয়ে নিজে একটা পুরো অর্ডার দিন, মোবাইল ডেটায়। মেনু খোলা থেকে পেমেন্ট পর্যন্ত যেখানে আটকাবেন, কাস্টমারও সেখানেই আটকাবেন। আর মেনুটা ছবি বা PDF না করে লেখা পেজে রাখুন, সঙ্গে Restaurant স্কিমা সেট করুন। Google তখন ব্যবসাটা ভালো বোঝে, আর দাম বা ডিশ বদলানো একজনের দু-মিনিটের কাজ হয়।
স্পিড, ডোমেইন আর লিগ্যাল পেজ
সব ঠিক থাকলেও সাইট ঢিমে হলে কাস্টমার পিছনের বাটন টেপেন। স্পিড সব সময় UK থেকে, মোবাইলে মাপুন। সাইট যদি একা আপনার দেশ থেকে তাড়াতাড়ি খোলে, সেটায় লাভ নেই। মেনুর ছবি কমপ্রেস করুন, আর হোস্টিং নিন ব্যবসার সাইটের জন্য বানানো জায়গা থেকে, যেমন dronahost.com — ক্লাউড, WordPress আর ম্যানেজড VPS হোস্টিং, সঙ্গে SSL, ব্যাকআপ আর ফ্রি মাইগ্রেশন।
ডোমেইন .co.uk নিলে লোকাল কাস্টমারের চোখে চেনা লাগে। .com-ও চলে। দুটোই আপনার নিজের নামে রাখুন।
লিগ্যাল দিকে দুটো জিনিস দেখবেন:
- প্রাইভেসি — অর্ডার বা বুকিংয়ে নাম, ফোন, ঠিকানা নিচ্ছেন, তাই UK GDPR-এর নিয়ম মেনে প্রাইভেসি পলিসি রাখুন। অ্যানালিটিক্স বা অ্যাডের কুকির নিয়ম ICO-র গাইডলাইন দেখে মিলিয়ে নিন।
- কোম্পানির ডিটেলস — Limited company হলে কোম্পানির পুরো নাম, রেজিস্টার্ড নম্বর, রেজিস্টার্ড অফিসের ঠিকানা আর কোথায় রেজিস্টার্ড (যেমন England and Wales) — এগুলো সাইটে রাখার নিয়ম আছে। ফুটারে দিয়ে দিন। আপনার অ্যাকাউন্ট্যান্ট এটা মিলিয়ে দিতে পারবেন।
লঞ্চের আগে চেকলিস্ট
- হোমপেজের প্রথম লাইনে কী খাবার আর কোন শহর লেখা আছে
- মেনু পেজে লেখা, মোবাইলে পড়া যায়, ডিশের পাশে এক লাইন ইংলিশে লেখা আছে
- প্রতিটা ডিশের অ্যালার্জেন ইনফো আছে, অর্ডারের আগে দেখা যায়
- খাবার পৌঁছনোর সময়ও অ্যালার্জেন জানানোর ব্যবস্থা আছে
- বুকিং আর অর্ডারের বাটন সব সময় দেখা যায়
- ডেলিভারির পোস্টকোড আর শেষ অর্ডারের টাইম লেখা আছে
- +44 নম্বরে এক ট্যাপে কল, WhatsApp লিংকে দেশের কোড আছে
- হাইজিন রেটিং দেখানো আছে (ভালো হলে) আর আপডেটেড
- Google Business Profile ভেরিফাই করা, সাইটের সঙ্গে নাম-ঠিকানা-ফোন হুবহু এক
- প্রাইভেসি পলিসি আর কোম্পানির ডিটেলস ফুটারে আছে
- মোবাইল ডেটায় নিজে একটা পুরো অর্ডার আর একটা বুকিং টেস্ট করেছেন
শেষ কথা
UK-তে রেস্টুরেন্ট চালানো এমনিতেই ব্যস্ত কাজ। সাইটটা তাই এমন হোক, যা আপনার কাজ কমায়। লেখা মেনু, পরিষ্কার অ্যালার্জেন ইনফো, এক ট্যাপে বুকিং আর অর্ডার, ঠিকঠাক Google প্রোফাইল — এগুলো ঠিক থাকলে ডেলিভারি অ্যাপের পাশাপাশি আপনার নিজের কাস্টমারও গড়ে উঠবে।
যে দেশেই থাকুন, WhatsApp-এ লিখুন — আপনার টাইম জোনে কল করে পুরো কাজ রিমোটে করে দিই। রেস্টুরেন্ট কোন শহরে, এখন কোথায় অর্ডার আসে, আর সাইট আছে কিনা — এটুকু লিখে যোগাযোগ করুন।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
Restaurant website UK-তে কি অ্যালার্জেনের ইনফো দিতেই হবে?
অনলাইনে বা ফোনে খাবার বিক্রি করলে England, Wales আর Northern Ireland-এ দুই জায়গায় অ্যালার্জেনের ইনফো দিতে হয় — অর্ডার পাকা হওয়ার আগে, আর খাবার পৌঁছনোর সময়। FSA-র সাজেশন হল, দুবারই লিখে দেওয়া। Scotland-এ থাকলে Food Standards Scotland-এর গাইডলাইন দেখে নিন।
Just Eat বা Deliveroo থাকলে কি আলাদা takeaway website লাগে?
অ্যাপ নতুন কাস্টমার আনে, তাই ছাড়ার দরকার নেই। কিন্তু অ্যাপে কমিশন যায় আর কাস্টমারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হয় না। যাঁরা আগেই আপনার নাম জানেন, তাঁদের জন্য নিজের সাইটে অর্ডারের রাস্তা রাখুন। দুটো পাশাপাশি চালানোই সবচেয়ে সোজা হিসেব।
Indian restaurant website ইংলিশে হবে, না বাংলায়?
মূল সাইট ইংলিশে করুন, কারণ বেশিরভাগ কাস্টমার ইংলিশেই মেনু পড়েন আর সার্চ করেন। বাঙালি কাস্টমারের জন্য পুজো বা ঈদের স্পেশাল মেনুর একটা আলাদা বাংলা পেজ রাখতে পারেন। এক পেজে দুই ভাষা মেশাবেন না।
ওয়েবসাইটে কি হাইজিন রেটিং দেখাতে হয়?
সাইটে দেখানোর কোনো আইনি নিয়ম FSA-র গাইডলাইনে নেই, বরং FSA নিজেই সাইট আর সোশ্যাল মিডিয়ায় রেটিং দেখাতে বলে। দোকানে স্টিকার লাগানোর নিয়ম আলাদা — Wales আর Northern Ireland-এ আইনে লাগবেই, England-এ নিজের ইচ্ছায়। রেটিং ভালো হলে সাইটে দেখানো ভরসা বাড়ায়।
UK-তে না থেকেও কি রেস্টুরেন্টের সাইট বানানো যায়?
হ্যাঁ, পুরো কাজটা রিমোটে হয় — WhatsApp, ভিডিও কল আর ইমেইলে। মেনু, ছবি আর ডিটেলস আপনি পাঠাবেন। ডোমেইন, হোস্টিং আর Google প্রোফাইল থাকবে আপনার নিজের নামে। অ্যালার্জেন আর লিগ্যাল ইনফোর দায়িত্বটা অবশ্য ব্যবসার, তাই লঞ্চের আগে নিজে মিলিয়ে নেবেন।
সর্বশেষ আপডেট: